Wednesday, 16 August 2017
Monday, 14 August 2017
।।৬৯।। মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপনের খরচ
।।৬৯।। মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপনের
খরচ
হাবলুর এক আত্মীয় হাসপাতালে
ভর্তি। তার অবস্থা আশংকাজনক। অবশেষে ডাক্তার তার অবস্থা ব্যাখ্যা করার জন্য হাবলুদের
সবাইকে ডাকলেন।
ডাক্তারঃ আপনাদের রোগীর
অবস্থা খুবই খারাপ।
হাবলুঃ কোনই কি ব্যবস্থা
করা যাবে না?
ডাক্তারঃ (অনেক চিন্তিত)
একমাত্র ব্রেন ট্রান্সপ্লান্ট করলে কিছু আশা রয়েছে।
হাবলুঃ কিন্তু ট্রান্সপ্লান্ট
করার মতো ব্রেন কোথায় পাওয়া যাবে?
ডাক্তারঃ আমাদের দুটো ব্রেন
স্টকে আছে।একটা পুরুষের ব্রেন, আরেকটা মহিলার ব্রেন।
হাবলুঃ ব্রেন কিনতে কেমন
খরচ দিতে হবে?
ডাক্তারঃ পুরুষ ব্রেনের
দাম পঞ্চাশ হাজার টাকা আর মহিলা ব্রেনের দাম পড়বে দশ হাজার টাকা।
হাবলুঃ (কিঞ্চিত অবাক হয়ে)
মহিলাদের ব্রেনের দাম এতো কম কেন?
ডাক্তারঃ (হেসে) খুব সিম্পল
কারণ। পুরুষের ব্রেন ব্র্যান্ড নিউ। কারণ জানেনই তো পুরুষেরা তাদের ব্রেন একেবারেই
ব্যবহার করেনা। মহিলার ব্রেন অনেক কাজ করেছে তো, তাই পুরনো হয়ে গিয়েছে।
Sunday, 13 August 2017
।।৬৮।। হাবলুর নানীর চিকিৎসা
।।৬৮।। হাবলুর নানীর চিকিৎসা
হাবলুর নানী ডাক্তার দেখাতে
এসেছেন। সঙ্গে হাবলুও আছে।
ক্লিনিকের এক নতুন ছোকরা
ডাক্তার তাকে দেখছেন। কিছুক্ষণ পরেই হাবলুর নানী ডাক্তারের রুম থেকে ছুটে বের হয়ে এলেন।
এটা দেখে ক্লিনিকের আরেক বৃদ্ধ ডাক্তার তাকে থামালেন। হাবলুর নানীর কাছে সব কাহিনী
শুনে তিনি তরুণ ডাক্তারের রুমে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “এটা কেমন কথা? হাবলুর নানীর বয়স
৬৫, তার চার ছেলে-মেয়ে আর সাত নাতি-নাতনি। আর তাকে তুমি বলেছ গর্ভবতী? তোমার কি মাথা
ঠিক আছে?”
তরুণ ডাক্তারটি প্রেসক্রিপশন
লিখছিল। হাসতে হাসতে বলল,“কিন্তু তার হেঁচকি তো ঠিক হয়েছে? নাকি?”
Saturday, 12 August 2017
।।৬৭।। ডিজিটাল পীর
।।৬৭।। ডিজিটাল পীর
হাবলুর এক বন্ধু কিসলু হাপুস-হুপুস প্রেমে পড়েছে। মেয়েটির নাম টুনটুনি। কিন্তু সে টুনটুনিকে যেয়ে কোনভাবেই তা জানাতে পারছে না। হাবলু বেচারার অবস্থা দেখে তাকে পীর বাবার দরবারে যাওয়ার পরামর্শ দিল।
দিনকয়েক গড়িমসি করে কিসলু পীর বাবার দরবারে হাজির হল। আধুনিক জমানার পীর। কিসলুর সব সমস্যার বিবরণ শুনে তাকে একটি পাথর দিলেন। পাথরের নাম “টাচ এন্ড ফলো”। বললেন, “তোমার মনের মানুষটিকে এই পাথর দিয়ে একবার স্পর্শ করতে পারলেই সে তোমাকে ফলো করতে থাকবে।” কিসলু পীর বাবার কথা শুনে খুবই খুশী। একবার শুধু পাথর ছোঁয়ানো? এ আর তেমন কঠিন কি কাজ?
পীর বাবা পাথরের বিনিময়ে এক মাসের ইন্টারনেট ডাটার খরচ দাবী করলেন। কিসলু খুশী মনে তা দিয়ে “টাচ এন্ড ফলো” পাথর নিয়ে দৌড় দিল।
পরের দিন কিসলুর সঙ্গে টুনটুনির পথে দেখা। কিসলু একটু মুচকি হেসে তার দিকে এগিয়ে গেল এবং আচমকা তার হাতে “টাচ এন্ড ফলো” পাথর স্পর্শ করেই দিল ছুট। টুনটুনি অবাক হলেও ভাবল হয়তো দুষ্টুমি করে কিসলু এমন করেছে। কিন্তু কিসলু যা ভেবেছিল, তা হল না। টুনটুনি তাকে কিছু বললও না, ফলোও করল না। বরং কার সঙ্গে যেন ফোনে কথা বলতে বলতে চলে গেল।
কিসলু মহাবিরক্ত। পীর বাবার পেছনে একমাসের ইন্টারনেট ডাটা বেহুদা খরচ করার জন্য তার খুবই আফসোস হল। কিন্তু বাসায় ফিরে ফোন চেক করতে গিয়ে একটু অবাক হল। তার ফোনে নয়টি নোটিফিকেশন। টুনটুনি তাকে টুইটার, ইনসটাগ্রাম,ভাইবার, হোয়াটস অ্যাপ, লাইন, উই চ্যাট, পিন্টারেস্টে ফলো করছে এবং ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে।
কিসলু মনের আনন্দে এবার পীর বাবাকে ফোন করল। পীর বাবা বললেন,“বুঝতে হবে বৎস। এখন ডিজিটাল যুগ। সবকিছু আপগ্রেড করা হয়েছে। রুরাল ভিলেজের কথা ভুলে যাও; গ্লোবাল ভিলেজে আস।এজন্য আমি তোমার কাছে লাল মোরগ, মশার মগজ, শকুনের চোখ, সাপের তেল আর সোয়া তিন কিলো কালো জিরা চাউল না চেয়ে, মাত্র একমাসের ইন্টারনেট ডাটা চেয়েছি।”
Thursday, 10 August 2017
।।৬৬।। বন্ধুত্বের বন্ধন
।।৬৬।। বন্ধুত্বের বন্ধন
ভুলু, জগলু আর হাবলু তিন
বন্ধু। তিনজন বিশ্বভ্রমণে বের হয়েছে। কিন্তু তাদের নৌকা ভারত মহাসাগরের এক নির্জন দ্বীপে
এসে নষ্ট হয়ে গেল। তারা খুবই দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল। এই নির্জন দ্বীপ থেকে এখন তারা কিভাবে
দেশে ফিরবে? এমন সময় সেই আলাদীনের চেরাগের দৈত্য এসে হাজির।
দৈত্যঃ “হুকুম কর, মালিক।
তোমাদের প্রত্যেকের একটি করে ইচ্ছে পূরণ করবো।”
ভুলুঃ “আমাকে এখনই আমার
বাড়ীতে পৌঁছে দাও।”
ভুলু নিমিষে বাড়ী পৌঁছে
গেল।
জগলুঃ “আমাকেও আমার বাড়ীতে
পৌঁছে দাও।”
জগলুও বাড়ী চলে গেল।
দৈত্য হাবলুর ইচ্ছে জানতে
চাইল। দুই বন্ধু চলে যাওয়ার পর হাবলুর একা একা থাকতে ভাল লাগছিল না। সে বলল,“আমার একা
ভাল লাগছে না। এখনই ভুলু আর জগলুকে আমার কাছে এনে দাও।”
Wednesday, 9 August 2017
।।৬৪।। বান্ধবীর পিকচার ডায়েট
।।৬৪।। বান্ধবীর পিকচার ডায়েট
জরিনার বাসায় বান্ধবী সখিনা বেড়াতে এসেছে। হঠাৎ সে জরিনার ফ্রিজ খুলে দেখে তার ভিতরে সুন্দরী এক মেয়ের ছবি।
সখিনাঃ “ফ্রিজের ভিতরে এমন সুন্দরী মেয়ের ছবি কেন রে?”
জরিনাঃ (হেসে) “হ্যাঁ, এটাকে বলে ‘পিকচার ডায়েট’। খাবার নেওয়ার জন্য ফ্রিজ খুলে মেয়েটাকে দেখলেই আমার মনে হয়, আমাকেও ওর মতো সুন্দরী হতে হবে। তখন আর খাওয়া হয় না।”
সখিনাঃ “বাহ্! দারুণ তো। তা কোন উপকার হচ্ছে?”
জরিনাঃ “হচ্ছে, আবার হচ্ছেও না।”
সখিনাঃ “সেটা কেমন?”
জরিনাঃ “আমার ওজন কমেছে আট কেজি। কিন্তু বারবার ফ্রিজ খোলার কারণে হাবলুর ওজন দশ কেজি বেড়ে গেছে!”
Tuesday, 8 August 2017
Monday, 7 August 2017
।।৬২।। তুমি কাঁদছ কেন?
।।৬২।। তুমি কাঁদছ কেন?
বিলু এবং মিন্টু নামের দুই শিশু প্যাথলজি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করাতে এসেছে। কিন্তু বিলু হাউ-মাউ করে কাঁদছে।
মিন্টুঃ তুমি কাঁদছ কেন?
বিলুঃ আমি রক্ত পরীক্ষা করাতে এসেছিলাম।
মিন্টুঃ তাতে কি হয়েছে? তুমি কি ভয় পেয়েছ?
বিলুঃ ওরা রক্ত নেয়ার জন্য আমার আঙুল কেটেছে।
এই কথা শুনে মিন্টুও হাউ-মাউ কান্না শুরু করে দিল। বিলু ওর কান্না শুনে অবাক। সে নিজের কান্না থামিয়ে মিন্টুর দিকে তাকাল।
বিলুঃ কি হল? মিন্টু, তুমি কাঁদছ কেন?
মিন্টুঃ আমি তো ইউরিন পরীক্ষা করাতে এসেছি।
Sunday, 6 August 2017
।।৬১।। হাবলুর ছাতা চুরি !!
।।৬১।। হাবলুর ছাতা চুরি !!
নানারকম ছাতা সংগ্রহ করা হাবলুর শখ। এভাবে বাসায় একে একে পাঁচটি ছাতা জমে গেল। কিন্তু সব ছাতাই নষ্ট। কি আর করা? সে মিস্ত্রির কাছে মেরামত করতে দিয়েছে। পরেরদিন ছাতা ছাড়াই বাসে চড়ে অফিসে যাচ্ছে। পাশে নীল রঙের ছাতা হাতে এক সুন্দরী মহিলা বসে ছিলেন। গন্তব্যে পৌঁছে নামার সময় হাবলু অভ্যেসবশত মহিলার ছাতাটি নিজের ভেবে হাতে করে নেমে যাচ্ছিল। ভদ্র মহিলা বুঝতে পেরে হৈ হৈ করে বলে উঠলেন,“এই ছেলে আমার ছাতা চুরি করে কোথায় যাচ্ছ?” হাবলু জিভ কেটে ছাতা তার হাতে ফিরিয়ে তাড়াতাড়ি নেমে গেল।
বিকেলে ফেরার সময় হাবলু দোকান থেকে মেরামত করা পাঁচটি ছাতা বগলে করে বাসে উঠলো। সিটে বসতেই দেখতে পেল সকালের সেই মহিলাও অফিস থেকে ফিরছেন। মহিলা চোখ বড় বড় করে তার দিকে তাকিয়ে আছেন। আর বলছেন,“আজ ভালোই হাতের কাজ করেছ মনে হচ্ছে!”
Saturday, 5 August 2017
।।৬০।। খেলার নেশা
।।৬০।। খেলার নেশা
একটা সময় ছিল বিকেলে দল বেঁধে শিশু-কিশোরেরা মাঠে খেলতে যেত। এখনও খেলে; তবে কম্পিউটারে কিংবা মোবাইলে “ক্যান্ডি ক্রাশ”।
হাবলুর বন্ধু ভুলু একটু অন্যরকম। এখনও তার খুব ফুটবল খেলার নেশা। কিন্তু বউয়ের অত্যাচারে বেচারা খেলতে যেতে পারে না।
ভুলুঃ জানিস গতকাল বাসায় যেয়ে কি দেখি?
হাবলুঃ কি?
ভুলুঃ আমার বউ সেজেগুঁজে একটা দড়ি নিয়ে বসে আছে। বললো,“আমাকে দড়ি দিয়ে বাঁধো। তাহলে তুমি যা খুশী তাই করতে পারবে।”
হাবলুঃ সত্যি? তা তুই কি করলি?
ভুলুঃ আমি ওকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে ফুটবল খেলতে মাঠে চলে গেলাম।
Subscribe to:
Comments (Atom)










