Tuesday, 28 February 2017

।।১৪।। যত পারেন খান, বিল দেবে আপনার নাতি




।।১৪।। যত পারেন খান, বিল দেবে আপনার নাতি

হাবলু শহরে এসে এক রেস্টুরেন্টে খেতে ঢুকেছে। রেস্টুরেন্টের সামনে লেখা, “যত পারেন খান। আপনার নাতি বিল দিলেই হবে।”
হাবলু পরম তৃপ্তি ভরে খেলো। একটু পরে রেস্টুরেন্টের বেয়ারা বিল নিয়ে এলো।
হাবলুঃ তুমি কি চোখের মাথা খেয়েছ? দেখছ না কি লেখা আছে?
বেয়ারাঃ এটা তো আপনার খাবারের বিল না। আপনার দাদার খাবারের বিল।


অন্য অর্থঃ  যত পারেন গাছ কাটেন। দাম দেবে আপনার নাতিপুতি।

Sunday, 26 February 2017

।।১৩।। কোন তাড়াহুড়ো নেই




।।১৩।। কোন তাড়াহুড়ো নেই

হাসপাতালের ওয়ার্ডে ডাক্তার রোগী দেখছেন।
ডাক্তারঃ কতদিন ধরে বিড়ি-সিগারেট খান?  
রোগীঃ অনেকদিন। ছোটবেলা থেকেই বলতে পারেন। তবে এখন ছেড়ে দিয়েছি।
ডাক্তারঃ কতদিন ছেড়ে দিয়েছেন?
রোগীঃ এই তো আজ সকাল থেকে।  
ডাক্তারঃ তাই? খুব ভালো। তা মদ খাওয়ার অভ্যেস আছে?  
রোগীঃ তা একটু-আধটু আছে। 
ডাক্তারঃ আপনি কি জানেন মদ আপনার জন্য স্লো পয়জনের মতো?
রোগীঃ তাতে অসুবিধা নেই। আমার তো কোন তাড়াহুড়ো নেই।

Saturday, 25 February 2017

।।১২।। মাথায় কিচ্ছু নেই




।।১২।। মাথায় কিচ্ছু নেই

হাবলুর মাথার সিটি স্ক্যান করা হয়েছে।
হাবলুঃ আমার মাথায় কি পেলেন?
ডাক্তারঃ তোমার মাথায় কিচ্ছু নেই।

Sunday, 19 February 2017

।।১১।। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন




।।১১।। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন

হাবলুঃ স্যার, আপনার সঙ্গে একমাস আগে দেখা করে গেলাম। কিন্তু এখনও তো কোন উন্নতি হল না?
ডাক্তারঃ আমি যে ওষুধ দিয়েছি তা খেয়েছ?
হাবলুঃ অবশ্যই। ওষুধের বোতলের গায়ে লেখা, “ছিপি আটকে শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।” সেভাবেই রেখে দিয়েছি।

Saturday, 18 February 2017

।।১০।। হাবলু যখন হাসপাতালে




।।১০।। হাবলু যখন হাসপাতালে

শেষ পর্যন্ত হাবলুকে শহরের বড় হাসপাতালে ভর্তি হতে হল।
বন্ধুঃ হ্যাঁ রে হাবলু, হাসপাতাল কেমন?
হাবলুঃ আরেব্বাস, বলিস না। পুরা আক্কেল চাচার মেয়ে সখিনার বিয়ের কথা মনে পড়ছে।
বন্ধুঃ কেন? সখিনাকে তুই ভালোবাসতি?
হাবলুঃ আরে তা না। তোর মনে আছে? সখিনার বিয়ের সময় আক্কেল চাচা পাঁচশ লোকের আয়োজন করেছিল। আর বরযাত্রী দুই হাজার এসে পড়লো। সেকি হৈ হৈ  রৈ রৈ কাণ্ড!! পাঁচ বাবুর্চির পাঁচজনই পালিয়েছিল।

Sunday, 12 February 2017

।।০৯।। হাবলুর ব্যথার স্কেল




।।০৯।। হাবলুর ব্যথার স্কেল

হাবলুর কোমরে ব্যথা। ডাক্তারের কাছে এসেছে।
ডাক্তারঃ মনে কর “০” মানে কোন ব্যথা নেই, আর “১০” মানে ভীষণ তীব্র ব্যথা। তাহলে তোমার কোমরের ব্যথাকে তুমি কত নম্বর দিবে?
হাবলুঃ বলতে পারব না। আমি অংকে খুব কাঁচা। 

Saturday, 11 February 2017

।।০৮।। হাবলুর ইউরিন পরীক্ষা




।।০৮।। হাবলুর ইউরিন পরীক্ষা

হাবলু গিয়েছে প্যাথলজি ল্যাবরেটরিতে। ডাক্তার তাকে মূত্র পরীক্ষা করতে বলেছেন। ল্যাব টেকনিশিয়ান তাকে সুন্দর ঢাকনাওয়ালা একটা কাপে পেশাব ধরে আনতে দিলেন। এত সুন্দর কাপে পেশাব আনতে বলায় সে খুব নার্ভাস।
কাপ নিয়ে টয়লেটে গেল। তারপর শূন্য হাতে ফিরে এলো।
ল্যাব টেকনিশিয়ানঃ পেশাব কোথায়?
হাবলুঃ টয়লেটে তো কমোড আছে। তাই এতো সুন্দর কাপে আর পেশাব করলাম না। 

Sunday, 5 February 2017

।।০৭।। প্রেসক্রিপশন ছিনতাই




।।০৭।। প্রেসক্রিপশন ছিনতাই

অবশেষে হাবলুকে জ্বরের জন্য ডাক্তারের নিকট যেতেই হল। ডাক্তার তাকে দেখেশুনে প্রেসক্রিপশন দিলেন। কিছুক্ষণ পরে হাঁপাতে হাঁপাতে সে আবার হাজির।
ডাক্তারঃ কি ব্যাপার?
হাবলুঃ আবার একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দেন।
ডাক্তারঃ কেন? একটু আগেই তো লিখে দিলাম। সেটা কি হল?
হাবলুঃ সেটা ছিনতাই হয়ে গিয়েছে।
ডাক্তারঃ কিভাবে? কোথায়?

হাবলুঃ আর বলবেন না। আপনার চেম্বার থেকে বের হতেই স্যুট-টাই পরা এক লোক ওটা দেখতে চাইল। এরপর আমি এদিকে বাবলুর সাথে কথা বলছি। পরে দেখি সেই লোক ওটা নিয়ে হাওয়া। ওষুধের দোকানদার বলল আরেকটা নিয়ে যেতে। আচ্ছা বলেন তো আমার প্রেসক্রিপশনের ওষুধ খেলে কি ওর অসুখ ভালো হবে?

Saturday, 4 February 2017

।।০৬।। হাবলুর জ্বর এবং মুরগীর সুপ



।।০৬।। হাবলুর জ্বর এবং মুরগীর সুপ

হাবলুর জ্বর হয়েছে। বাসায় বসে তিন বেলা মুরগীর সুপ খাচ্ছে।
এক বন্ধু জিজ্ঞেস করলো, “এত জ্বর! ডাক্তারের কাছে যাবি না?”

হাবলুঃ “ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কি দরকার? আজকাল মুরগীর ফার্মেই তো কত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে।মুরগীর সুপ খেলে চলবে না?”