Sunday, 26 March 2017

।।২৫।। নিজেকে স্লিম মনে করার উপায়




।।২৫।। নিজেকে স্লিম মনে করার উপায়

বন্ধুঃ দোস্ত! ওজন তো কিছুতেই কমাতে পারছি না। কি উপায় বল দেখি?

হাবলুঃ আর বলিস না। বছরের পর বছর ডায়েটিং করে আমি বুঝেছি নিজেকে চিকন পাতলা বানানোর একটাই উপায় আছে। তাহলো নিজের চেয়ে মোটা কারও সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া।

Saturday, 25 March 2017

।।২৪।। মেদ-ভুঁড়ি কি?




।।২৪।। মেদ-ভুঁড়ি কি?

জিমে যাওয়া হয় না। ডায়েটিং করেও ফল হচ্ছে না। হাবলু ডাক্তারের চেম্বারে গেল।
ডাক্তারঃ তোমার কি মেদ-ভুঁড়ি মানে ওবিসিটি (obesity) সম্পর্ক কোন ধারণা আছে?হাবলুঃ অবশ্যই। মেদ-ভুঁড়ি এমন এক রোগ যা হলে সবকিছু খেতে খুব স্বাদ লাগে; কিন্তু সবজি-সালাদ খেতে একদম ভালো লাগে না, জিমে যাওয়ার কথাও মনে থাকে না।

Sunday, 19 March 2017

।।২৩।। হাবলু এবং আলাদীনের চেরাগ




।।২৩।। হাবলু এবং আলাদীনের চেরাগ

কিভাবে পেয়েছে জানা সম্ভব হয়নি। তবে আলাদীনের চেরাগ এখন হাবলুর হাতে। ঘষা দিতেই পুরনো দৈত্যের ছেলে এসে হাজির।
জুনিয়র দৈত্যঃ কি হুকুম, মালিক?
হাবলুঃ বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার একটা ব্রিজ বানায়ে দাও।
জুনিয়র দৈত্যঃ (মাথা চুলকাতে চুলকাতে) এতো বিশাল কাজ! আমার বাবা হলে হয়তো পারতো। তার ওপর আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্টের মতি-গতি বোঝা মুশকিল। না, আপনি অন্য কোন কাজের হুকুম দেন।
হাবলুঃ ( কিছুক্ষণ চিন্তা করে) জরিনার মতি-গতি তো আরও জটিল। আচ্ছা তুমি আমাকে মেয়েদের মন বুঝবার ক্ষমতা এনে দাও। 

জুনিয়র দৈত্যঃ(চোখ বিস্ফারিত ভীত কণ্ঠে) ওরে বাব্বা! সে কাজ তো আরও কঠিন। তারচেয়ে বরং আগেরটাই বলেন। কোথায় ব্রিজ বানাতে হবে? 

।।২২।। হাবলুর মশা মারা




।।২২।। হাবলুর মশা মারা

হাবলু মশা মারছে।
জরিনাঃ কয়টা মশা মারছ?
হাবলুঃ তিনটা মেয়ে মশা আর দুইটা ছেলে মশা।
জরিনাঃ ছেলে না মেয়ে কিভাবে বুঝলে?
হাবলুঃ মেয়ে মশা তিনটা আয়নার ওপরে, আর ছেলে মশা দুইটা ব্যায়ামের মেশিনের ওপরে বসে ছিল।

।।২১।। বেশিদিন বাঁচার উপায়




।।২১।। বেশিদিন বাঁচার উপায়

হাবলুঃ স্যার! বেশীদিন বাঁচার উপায় কি?
ডাক্তারঃ খুব সহজ। একটি বিয়ে করে ফেল।
হাবলুঃ কেন? বিয়ে করলে কি বেশিদিন বাঁচা যায়?
ডাক্তারঃ তা বলতে পারব না। তবে তখন বেশিদিন বাঁচা নিয়ে কেউ অত চিন্তা-ভাবনা করে না।

Saturday, 18 March 2017

।।২০।। আবহাওয়াবিদ হাবলু




।।২০।। আবহাওয়াবিদ হাবলু

হাবলু তার বন্ধুকে নিয়ে পিকনিকে গিয়েছে। রাতে একটি তাঁবু টানিয়ে তার ভেতর ঘুমিয়ে পড়ল।মাঝরাতে বন্ধু হাবলুকে ডেকে তুলল।
বন্ধুঃ দোস্ত, আকাশ দেখতে পাচ্ছিস?
হাবলুঃ হ্যাঁ দোস্ত। দেখছি তো।
বন্ধুঃ কি বুঝলি?
হাবলুঃ আকাশে কোন মেঘ নাই। অনেক তারা দেখা যাচ্ছে। তার মানে আজ বৃষ্টি হবে না
বন্ধুঃ ওরে আমার আবহাওয়াবিদ! ভালো করে দেখ আমাদের তাঁবু চুরি হয়ে গেছে!

।।১৯।। আরেক ডাক্তারের কাছে যাব




।।১৯।। আরেক ডাক্তারের কাছে যাব

জরিনা ডাক্তার দেখিয়ে বাসায় ফিরেছে।
জরিনাঃ ওগো, শুনছো? ডাক্তার আমাকে একমাস কোন সাগরের পাশে, দুই সপ্তাহ একটা নির্জন গ্রামে আর এক সপ্তাহ কোন পাহাড়ের ওপরে অবকাশ কাটাতে বলেছেন। তুমি আমাকে প্রথমে কোথায় নেবে গো?
হাবলুঃ আগে তোমাকে আরেক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব।

Sunday, 12 March 2017

।।১৮।। হাবলুর উপন্যাস দর্শন




।।১৮।। হাবলুর উপন্যাস দর্শন

লেখকঃ হ্যাঁরে হাবলু, জানিস আমি গত এক বছর ধরে একটা উপন্যাস লিখছি।

হাবলুঃ আমি বুঝি না বছর ধরে উপন্যাস লেখার কি আছে? শ’ খানেক টাকা দিলেই তো কত উপন্যাস কিনতে পাওয়া যায়!

Saturday, 11 March 2017

।।১৭।। বইপড়ার উপকারিতা




।।১৭।। বইপড়ার উপকারিতা

শিক্ষক হাবলুকে বইপড়ার উপকারিতা সম্পর্কে উপদেশ দিচ্ছেন।
শিক্ষকঃ হাবলু, ভালো বই পড়বি। তোর মন উন্নত হবে, সমাজের উপকার হবে, দুনিয়া এগিয়ে যাবে।

হাবলুঃ স্যার,এতদিন লোকে কত বই পড়লো! দুনিয়া তো অনেক আগেই বদলে যাওয়া উচিত ছিল। তারপরও দুনিয়ায় এতো মারামারি-কাটাকাটি কেন? 

Sunday, 5 March 2017

।।১৬।। ডাক্তারদের হাতে লেখা দাবী




।।১৬।। ডাক্তারদের হাতে লেখা দাবী

হাবলু হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালের সব ডাক্তার ধর্মঘটে। পরিচালক হন্যে হয়ে কাকে যেন খুঁজে বেড়াচ্ছেন।
হাবলুঃ স্যার, আপনি এতো উতলা হয়ে কাকে খুঁজছেন?
পরিচালকঃ ফার্মাসিস্ট ব্যাটা গেলো কোথায়? ডাক্তারদের হাতে লেখা দাবীগুলো একমাত্র ওই পড়ে দিতে পারে।

Saturday, 4 March 2017

।।১৫।। মানসিক রোগের ডাক্তারের কাছে হাবলু




।।১৫।। মানসিক রোগের ডাক্তারের কাছে হাবলু

মানসিক রোগের ডাক্তারঃ তুমি কি মদ খাও?
হাবলুঃ জী, না।
মানসিক রোগের ডাক্তারঃ তুমি কি বিড়ি-সিগারেট খাও?
হাবলুঃ কখনওই না।
মানসিক রোগের ডাক্তারঃ তুমি কি হেরোইন-আফিম বা অন্য কোন নেশা কর?
হাবলুঃ মোটেও না।
মানসিক রোগের ডাক্তারঃ তুমি কি তাস খেল?
হাবলুঃ না।
মানসিক রোগের ডাক্তারঃ তুমি কি মেয়েদের পিছনে ঘুরঘুর করে বেড়াও?
হাবলুঃ ছিঃ ছিঃ কি বলেন? একেবারেই না।
মানসিক রোগের ডাক্তারঃ তাহলে তুমি আমার কাছে এসেছ কেন?
হাবলুঃ স্যার, সেটাইতো বলছি। আমার সমস্যা হচ্ছে আমি একটু বেশী মিথ্যা কথা বলি...